ডমপেরিডন ট্যাবলেট এর কাজ কি, খাওয়ার নিয়ম, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, কিসের ঔষধ, কখন খেতে হয়

ডমপেরিডন ট্যাবলেট এর কাজ কি সম্পর্কে বিস্তারিত

ডমপেরিডন বমির ওষুধের একটি জেনেরিক নাম। এই ওষুধ বিভিন্ন কোম্পানি বাজারে বিভিন্ন নামে বাজারজাতকরণ করে থাকে। এটা ওষুধের আসল নাম নয়। বমির জন্য মূলত এই ওষুধ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

ডমপেরিডন ট্যাবলেট এর কাজ কি

আমরা একটু পরে জানব, এই ওষুধ বাজারে কোন কোন নামে পাওয়া যায় এবং কোম্পানির নাম কি। তবে এখন আমরা এই ঔষধের কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। কোন কোন রোগের বা সমস্যার জন্য এই ঔষধ নির্দেশিত হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • বমি বমি ভাব
  • খাবারে অরুচি
  • হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা
  • গ্যাসের সমস্যা হলে
  • অযথা বুক জ্বালাপোড়া করা
  • অল্প খাবারে তুষ্টি হলে
  • পায়খানা কষা হলে
  • গ্যাসের বায়ু উপরের দিকে উঠলে
  • ঢেকুর তোলা
  • আলসারবিহীন অজীর্ণ রোগ হলে
  • পেটের উপরের অংশে ব্যথা
  • পেট ভার বোধ করা

ডমপেরিডন ১০ ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

এটি বিভিন্ন রোগের জন্য খাওয়া হয়। রোগ বা সমস্যা ভেদে এই ট্যাবলেট খাওয়ার মাত্রা ভিন্ন হতে পারে। তীব্র বমি বমি ভাব হলে ২টি ২০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট ৬ থেকে ৮ ঘন্টা অন্তর অন্তর খেতে হবে। এছাড়া এই ওষুধ সেবনের সঠিক নিয়ম জানতে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

যেকোনো ওষুধ সেবনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক একজন রোগীর সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে ওষুধ নির্দেশনা করে থাকবেন। গুগল সার্চ করে কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখে কোন ধরনের জটিল রোগের ওষুধ সেবন করার চেষ্টা করবেন না।

ডমপেরিডন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

এই ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। কারণ এমন কোন ওষুধ পাওয়া যাবে না যে কমবেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো সব সময় সব মানুষের মধ্যে দেখা দেয় না। এই ট্যাবলেট সেবনে নিম্নোক্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সমূহ দেখা যায়:

  • মুখ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে
  • মাথা ব্যথা হতে পারে
  • ঘনঘন পিপাসা লাগতে পারে
  • কারো কারো ক্ষেত্রে নার্ভাসভাব হতে পারে
  • ত্বক লালচে ভাব হতে পারে
  • কারো কারো ক্ষেত্রে আবার চুলকানি হতে পারে
  • স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে স্তন বড় হয়ে থাকতে পারে কিংবা ক্ষত হতে পারে
  • কখনো কখনো আবার মায়েদের দুগ্ধ নিঃসরণ বৃদ্ধি পেতে পারে
  • ফুসকুড়ি হতে পারে
  • ঘুম ঘুম ভাব হতে পারে
  • দুশ্চিন্তা ভর করতে পারে

ডমপেরিডন ১০ কিসের ঔষধ?

তীব্র বমি বমি ভাব হলে এই ওষুধ সেবন করা হয়ে থাকে। এছাড়া আরো অনেক রোগ বা সমস্যার জন্য এই ওষুধ সেবন করা হয়ে থাকে। যেগুলো আমরা উপরে আলোচনা করেছি।

ডমপেরিডন বেশি খেলে কি হয়?

এই ঔষধ বেশি খেলে ডায়রিয়া, মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন, মুখের শুকনোতা বা বুকের ব্যথা হতে পারে।

ডমপেরিডন খেলে কি হয়?

এই ট্যাবলেট খেলে তীব্র বমি বমি ভাব কিংবা পেট ফাঁপা দিলে সেটা ঠিক হয়ে যায়। এছাড়া আরো অনেক কাজ করে থাকে যেগুলো শুরুতেই আলোচনা করেছি দেখে নিন।

ডমপেরিডন কখন খেতে হয়?

ডমপেরিডন ট্যাবলেট মূলত খাওয়ার পূর্বে খেতে হয়। খাওয়ার ১৫ থেকে ২০ মিনিট পূর্বে ডমপেরিডন ট্যাবলেট সেবন করতে হবে।

ডমপেরিডন খাওয়ার আগে না পরে?

ডমপেরিডন সবসময় খাওয়ার পূর্বে সেবন করতে হয়।

ডমপেরিডন গ্রুপের ঔষধের নাম

  • Almigut Tablet
  • Omidon Tablet
  • Motigut Tablet
  • Deflux Tablet
  • Domidon Tablet
  • Domin Tablet
  • Dopadon Tablet

ডমপেরিডন দাম কত?

ডমপেরিডন বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে বাজারে বাজারজাতকরণ করে থাকে। কোম্পানি ভেদে এর দাম ভিন্নতা রয়েছে।

  • Almigut Tablet (Per Unit 3.00 Tk)
  • Omidon Tablet (Per Unit 3.00 Tk)
  • Motigut Tablet (Per Unit 3.50 Tk)
  • Deflux Tablet (Per Unit 4.00 Tk)
  • Domidon Tablet (Per Unit 2.00 Tk)
  • Domin Tablet (Per Unit 3.50 Tk)
  • Dopadon Tablet (Per Unit 2.50 Tk)
Next Post Previous Post