মেট্রোনিডাজল (৪০০ মি.গ্রা.) এর কাজ কি | কিসের ওষুধ | খাওয়ার নিয়ম | উপকারিতা

মেট্রোনিডাজল হলো ওষুধের গ্রুপের নাম। এটিকে ওষুধের জেনারিক নামও বলা হয়। এটি একটি এন্টিবায়োটিক ওষুধ। বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে বাজারজাতকরণ করে থাকে। এটি বাজারে ট্যাবলেট ও সিরাপ আকারে পাওয়া যায়।

মেট্রোনিডাজল কিসের ওষুধ তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন

মেট্রোনিডাজল গ্রুপের কিছু ঔষধের নাম

  • Flamyd
  • Varizil
  • Metco
  • Metryl
  • Metro
  • Amodis
  • Dirozyl
  • Filmet

মেট্রোনিডাজল (৪০০ মি.গ্রা.) এর কাজ

মেট্রোনিডাজল অনেক রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। এই ওষুধ প্রায় ৩২টি রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। নিম্নে তুলে ধরা হলো:

  • নিউমোনিয়া হলে কাজ করে
  • আমাশায় হলে কাজ করে
  • পেপটিক আলসার হলে কাজ করে
  • হাড় এবং জয়েন্টের ইনফেকশন হলে কাজ করে
  • দাঁতের তীব্র ইনফেকশন হলে কাজ করে
  • পায়ে ক্ষত হলে কাজ করে
  • মস্তিষ্কে ঘা বা ফোড়া হলে কাজ করে
  • অতিরিক্ত সাদাস্রাব হলে
  • জরায়ুতে প্রদাহ হলে
  • লিভার অ্যাবসেস ইনফেকশন হলে
  • শরীরের ভেতরে ইনফেকশন বা প্রদাহ হলে

মেট্রোনিডাজল কিসের ঔষধ?

এটি এন্টিবায়োটিক ঔষধ। এটি বিভিন্ন ধরনের রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। তবে এটি সাধারণত সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় আমাশয়, ডায়রিয়া এবং পাতলা পায়খানা হলে। এছাড়া আরো অনেক রোগে বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে যেগুলো সম্পর্কে উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।

মেট্রোনিডাজল খাওয়ার নিয়ম

এই ট্যাবলেট বিভিন্ন প্রকার রোগের কাজ করে থাকে। রোগভেদে এর সেবন বিধি বা ব্যবহার মাত্রা ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ চিকিৎসকেরা এটি ৩ থেকে ৭ দিন খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিকট গিয়ে এই এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট খাওয়ার সঠিক নিয়ম জেনে নিন। কারণ একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক সবসময় আপনার সার্বিক পরিস্থিতি বা সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে রোগের উপর ভিত্তি করে সঠিক মাত্রা নির্দেশনা করে থাকবে। এন্টিবায়োটিক ওষুধের ভুল সেবনে মারাত্মক রকমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যেটা আপনার জীবনের জন্য পরবর্তীতে হুমকি হবে। এই ট্যাবলেট গর্ভাবস্থায় খাওয়া যাবে না। কারণ এটি এন্টিবায়োটিক ওষুধ। গর্ভাবস্থায় এটি খেলে গর্ভের ভ্রুণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

এটা একটি এন্টিবায়োটিক ওষুধ হওয়ায় এর বেশকিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে।

  • ডায়রিয়া হতে পারে
  • বমি হতে পারে
  • বমি বমি ভাব হতে পারে
  • ঘুম ঘুম ভাব হতে পারে
  • কারো কারো ক্ষেত্রে আবার রেশ দেখা যেতে পারে
  • ধাতব স্বাদ পাওয়া যেতে পারে

মেট্রোনিডাজল খাওয়ার আগে না পরে?

এই ট্যাবলেট খাওয়ার পরে ভরা পেটে খেতে হবে। কারণ এটি এন্টিবায়োটিক ঔষধ।

মেট্রোনিডাজল এর দাম কত?

প্রতি পিস ফিলমেট (মেট্রোনিডাজল) ট্যাবলেট (মেট্রোনিডাজল) এর দাম ১.৭০ টাকা। এছাড়া বাজারে বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে এই ট্যাবলেটটি বাজারজাতকরণ করে থাকে।

Next Post Previous Post