টনসিল এর ঔষধ, এন্টিবায়োটিক, ট্যাবলেট এর নাম [নিয়ম ও দাম]
গলা ব্যাথা হলেই আমরা মনে করি যে টনসিল সমস্যা হয়েছে। টনসিল আমাদের শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থার মত কাজ করে থাকে। টনসিলে প্রদাহজনিত সমস্যা হলে তাকে বলা হয় টনসিলাইটিস।
এটি শিশুদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত চিকিৎসকের নিকট যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। প্রাথমিক কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা নিলে টনসিল সমস্যা থেকে খুব সহজে মুক্তি পাওয়া যায়।
টনসিল এর কারণ
আমাদের গলায় নানা কারণে টনসিল সমস্যা হতে পারে।
- ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে
- অত্যাধিক ঠান্ডা কোন কিছু বেশি পান করলে
- অত্যাধিক ঠান্ডা পরিবেশে বা আবহাওয়ায় বাস করলে অতিরিক্ত শীতের সময়
টনসিল এর লক্ষণ গুলো কি কি
- প্রচন্ড গলা ব্যাথা হবে।
- গলা আগের চেয়ে ফুলে যেতে পারে।
- শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে।
- মাথা ব্যাথা হতে পারে।
- খাবারের সময় খেতে ব্যাথা হবে এবং কষ্ট হবে।
- কানে ব্যথা হতে পারে।
- মুখ দিয়ে দুর্গন্ধ বের হতে পারে।
- মুখ লালা বের হতে পারে।
- কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হয়ে ভারী হতে পারে।
- খাবার বা যেকোনো জিনিস ঢোক গিলতে সমস্যা হবে।
টনসিল হলে করণীয়
- প্রতিদিন লবণ মিশ্রিত গরম পানি বারবার প্রচুর পরিমাণে পান করতে হবে। আপনি চাইলে গরম আদা ও চা পান করতে পারেন।
- নরম কাপড় আগুনের তাপে গরম করে আপনার গলায় ছ্যাক দিতে পারেন যেটা আপনার ব্যথা প্রশমিত করে দেবে। কয়েকদিন ছ্যাক দিলে সমস্যার উন্নতি দেখতে পারবেন।
- এই সমস্যা খুব বেশি হলে আপনাকে বিশেষজ্ঞ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
টনসিল এর ঔষধ (এন্টিবায়োটি ট্যাবলেট)
- রফিউক্লাভ ২৫০ ট্যাবলেট (প্রতি পিস ৫৫ টাকা)
- এইচ্ এক্সআর ট্যাবলেট (প্রতি পিস ২ টাকা)
- ডেক্সিলেন্ড ৩০ ক্যাপসুল (প্রতি পিস ৯ টাকা)
- ভিফাস ট্যাবলেট (প্রতি পিস ৮ টাকা)
- Viodin Mouth Wash (প্রতিটি সিরাপ ১০০ মিলি ৪০ টাকা)
ওষুধগুলো খাওয়ার নিয়ম
রফিউক্লাভ ২৫০: এটি টনসিলের এন্টিবায়োটিক ওষুধ। এটি একটানা সাত দিন খেতে হয়। প্রতিদিন সকালে এবং রাতে ১টি করে ট্যাবলেট খেতে হয়। এর সাথে আরো কিছু ওষুধ খেতে হবে এবং ব্যবহার করতে হয়।
ভিফাস ১২০: এটি প্রতিদিন ১টি করে রাতে সেবন করতে হবে।
এইচ্ এক্সআর: যদি টনসিলে ব্যথা থাকে তাহলে এটি দিনে তিনবার খেতে হবে। সকাল, বিকাল এবং রাতে। ব্যাথা না থাকলে খাবেন না।
ডেক্সিলেন্ড ৩০: এটি গ্যাসের ক্যাপসুল। প্রতিদিন একটি করে সেবন করতে পারেন। অতিরিক্ত গ্যাস সমস্যা হলে দুইটি খেতে পারেন। সকালে এবং রাতে। এটি খাওয়ার আগে কিংবা পরে খেতে পারে। খাওয়ার আগে ৩০-৬০ মিনিট পূর্বে সেবন করতে হবে।
Viodin 1%: এই মাউথওয়াশ মুখে দিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার কুলি করতে হবে। এজন্য এক গ্লাস গরম পানি লাগবে। তিন-চার ফোঁটা মাউথওয়াশ মিশিয়ে নিয়মিত কুলি করতে হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: উপরে উল্লেখিত সবগুলো ওষুধ একসাথে সেবন করতে হয়। শুধু মাউথওয়াশ সেবন করা যাবে না। সবগুলো ওষুধ ডোজ হিসেবে খেতে হবে। আলাদা করে খেলে চলবে না।
বিশেষ সতর্কীকরণ: বিশেষজ্ঞ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভুলেও ঔষধ সেবন করবেন না।
![টনসিল এর ঔষধ, এন্টিবায়োটিক, ট্যাবলেট এর নাম [নিয়ম ও দাম] টনসিল এর ঔষধ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন](https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgmjTQDxb4q1XS1OAvKJiLZxpSLAmsrj-TFxdTvDBUA8Aq1grjVsyj8ZulLCZo5dmupfcHC6MXNRhIsTP6RkmXvyosAuU-ci2ig1zO1NcCe8j1YSY3yA24yaavWFUs2zo6IM4ld3asBeiePZSOxiMynTaH2AsVYrFMIPYAruzQuzbttG54Rbvsi1a70/s16000-rw/%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%20%E0%A6%8F%E0%A6%B0%20%E0%A6%94%E0%A6%B7%E0%A6%A7.jpg)