বাচ্চাদের কাশির সিরাপ | বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ এর নাম
বাচ্চাদের সর্দি-কাশি কেন হয়?
শীতকালে শিশুদের সর্দি কাশি সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে সর্দি কাশির সংক্রমণ শীতকালে সবচেয়ে বেশি থাকে। ছয় মাস বয়সী শিশুদের জন্য সর্দি কাশি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
পরিবেশগত কারণ ছাড়াও অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস জনিত কারণে ছোট্ট ছোট্ট শিশু বাচ্চাদের সর্দি-কাশি লাগতে পারে। যেটা অনেক সময় শিশুর বাবা মায়েরা বুঝতে পারে না।
গ্রামের অধিকাংশ বাড়িঘর বাঁশ বা কাঠের তৈরি হয়ে থাকে। এসব খোলামেলা ঘরে খুব সহজে ঠান্ডা বাতাস ঘরে প্রবেশ করতে পারে। যার ফলে শিশুদের সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বহু অংশে থাকে।
এছাড়া অনেক সময় দেখা যায় শিশুরা অতিরিক্ত চঞ্চলতার কারণে খোলামেলা ভাবে চলতে পছন্দ করে। সন্ধ্যার পর দেরীতে ঘরে ফেরে। ফলে ঠান্ডার প্রকোপে শিশুরা সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয়।
বাচ্চাদের সর্দি কাশি প্রতিরোধে করণীয়
নিম্নলিখিত উপায়ে বাচ্চাদের সর্দি কাশির প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে পারবেন।
- ঠান্ডা আবহাওয়ায় বাচ্চাদের শরীর চাদর বা গরম কাপড়-চোপড় পরিয়ে ঢেকে দিন।
- বাচ্চাদের হাঁপানি জনিত সমস্যা থাকলে চিকিৎসা নিন। কারণ হাঁপানের কারণে অনেক সময় কাশি লেগে থাকে।
- বাচ্চাদের সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় টিকা দিন।
- পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
- সবসময় শিশুদের হাত হাত পরিষ্কার রাখবেন এবং যাতে হাত নাকে না দেয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
- বাচ্চা শিশুদের ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খাওয়ান।
- হালকা গরম অলিভ অয়েল তেল কিংবা সরষের তেল বাচ্চার সম্পূর্ণ শরীরে লাগিয়ে দিন।
- শীত থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় উষ্ণ কাপড়-চোপড় পরিয়ে দিন।
- বাচ্চা শিশু হলে স্বাভাবিক খাবারসহ বুকের দুধ খাওয়া চালিয়ে যান।
বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ এর নাম
- তুশকা প্লাস সিরাপ
- এডোভাস সিরাপ
- নেকটার সিরাপ
- ওকফ সিরাপ
- এমব্রক্স সিরাপ
- টোফেন সিরাপ
- মধুভাস সিরাপ
- রিমোকফ সিরাপ
- বোক্সল সিরাপ
এই আর্টিকেল সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
কাশি হলে কলা খাওয়া যাবে কি?
কাশি হলে কি কি খাওয়া যাবে না?
- প্রক্রিয়াজাত খাবার
- ভাজা খাবার
- অ্যালকোহল
- ক্যাফেইনযুক্ত পানি
