বাচ্চাদের চোখের ড্রপের নাম
কনজেক্টিভাইটিস, যা চোখ ওঠা রোগ নামেও পরিচিত, হল কনজাংটিভা, চোখের সাদা অংশকে ঢেকে রাখা পাতলা এবং স্বচ্ছ ঝিল্লির একটি প্রদাহ এবং চোখের পাতার ভিতরের পৃষ্ঠকে রেখা দেয়।
কারণ
ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, অ্যালার্জি, বিরক্তিকর, বা অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সহ বিভিন্ন কারণে বাচ্চাদের চোখ ওঠা হতে পারে।
বাচ্চাদের চোখ ওঠার লক্ষণ
- চোখে পিচুটি পা কেতুর হয়
- চোখ দিয়ে পানি পড়া
- চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
- চোখ লাল হয়ে যাওয়া। প্রথমে সাধারণত এক চোখ লাল হয় পরে আরেক চোখ লাল হয়।
- আলো অসহ্য লাগতে পারে
- চোখে অস্বস্তি বোধ হওয়া বা খচখচ করা
- চোখের কর্নিয়া আক্রান্ত হলে চোখে ঝাপসা দেখতা পারেন
- চোখে ব্যথা অনুভূত হতে পারে
- ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাতা লেগে যেতে পারে পিচুটি বা কেতুরের কারণে
বাচ্চাদের চোখ উঠলে করণীয়
বাচ্চাদের চোখ উঠলে একজন অভিভাবককে নিম্নে উল্লেখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে:
- আপনার সন্তানের হাত পরিষ্কার রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যে তারা তাদের চোখ স্পর্শ বা ঘষে না।
- সংক্রমণের সময় কন্টাক্ট লেন্স বা চোখের মেকআপ ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।
- অস্বস্তি উপশম করতে এবং ফোলা কমাতে উষ্ণ কম্প্রেস ব্যবহার করুন।
- একটি তুলোর বল বা গরম পানিতে ভিজিয়ে নরম কাপড় দিয়ে আপনার সন্তানের চোখ আলতোভাবে পরিষ্কার করুন।
- আপনার সন্তানের সাথে তোয়ালে, বালিশ বা অন্যান্য ব্যক্তিগত জিনিস শেয়ার করবেন না।
- চোখের ড্রপ বা মলম দেওয়ার আগে এবং পরে আপনার হাত ভালভাবে ধুয়ে নিন।
বাচ্চাদের চোখের ড্রপের নাম
- Opsophenicol (Eye Drop) 34.5 Tk
- Iventi (Eye Drop)
- Supraphen (Eye Drop)
- Cloram Eye Drop
- Optimox (Eye Drop) 140 Tk
- Lomeflox (Eye Drop)
- SQ- Mycetin (Eye Drop)
বিশেষ সতর্কীকরণ: একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভুলেও এ ধরনের ড্রপ আপনার বাচ্চার চোখে ব্যবহার করবেন না কিংবা আপনার চোখে ব্যবহার করবেন না। চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ। অবশ্যই সাবধান থাকবেন।
