বাচ্চাদের চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
চিয়া সিড শিশু থেকে বয়স্ক সকল বয়সের মানুষের জন্য ভীষণ রকমের উপকারী। বাজি নামক পাখিরা এই চিয়া সিড সাধারণত খেয়ে থাকে। তবে এটা শুধু পাখির খাদ্য নয় এটা মানুষের খাদ্যও বটে। এই বীজে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়।
চিয়া সিড এর উপকারিতা
- এটি মানুষের দেহের ক্ষতিকর পদার্থের চাপ কমিয়ে থাকে।
- এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় সাথে উচ্চ রক্তচাপও কমায়।
- দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে এই বীজ অনেক কার্যকরী।
- এই বীজ আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে উপকারী।
- আমাদের দেহ থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়।
- একটি খেলে আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
- এটি খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
- ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।
- গ্যাসের সমস্যা নির্মূল করে থাকে।
- ভালো ঘুম নিশ্চিত করে থাকে।
- আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে আরও বেশি উন্নত করে।
- হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে থাকে।
- আমাদের ত্বক চুল ও নখ সুন্দর রাখে।
- এটি আমাদের দেহের প্রোটিনের ঘাটতি দূর করে থাকে।
- এটি আমাদের ফ্যাটি এসিডের অভাব দূর করে থাকে।
- শিশুদের মেধা বিকাশ করে থাকে।
চিয়া সিড এর অপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- একটি খেলে গলায় আটকে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি বড় ধরনের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নয়।
- কিছু কিছু গবেষকের মতে এটি খেলে ক্যান্সার হয়ে থাকে।
- এটি আমাদের দেহের শর্করার পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমিয়ে মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।
- পেটের সমস্যা হতে পারে।
- এটি খেলে যেমন ওজন কমে তেমনি কখনো কখনো ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।
বাচ্চাদের চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
বাচ্চাদের চিয়া সিড খাওয়ানোর সময় সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এটি গলায় আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। বাচ্চাদের খাবারের সাথে চাইলে আপনি বাচ্চাদেরকে এই চিয়া সিড খাওয়াতে পারবেন। বাচ্চাদের খাওয়ার দুধের সাথে চিয়া সিড খাওয়াতে পারবেন। তবে এক বছর বা তার কম বয়সী বাচ্চাদের না খাওয়ানোই উত্তম।
আধা চা চামচ থেকে সর্বোচ্চ এক চা চামচ পর্যন্ত চিয়া সিড খাওয়াতে পারবেন বাচ্চাদেরকে। আপনি চাইলে এটি ব্লেন্ডার মেশিন দিয়ে একদম পিষিয়ে যেকোনো তরল ও মিষ্টি জাতীয় খাদ্যের সাথে মিশিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াতে পারবেন।
যেসব বাচ্চাদের বয়স ১ থেকে ১০ বছর তাদেরকে সর্বোচ্চ এক চা চামচ পরিমাণ খাওয়াতে পারবেন। সুপার ফুড হিসেবে পরিচিত এই খাবারটি ছোট বয়স থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকল বয়সের মানুষের জন্য অনেক উপকারী।
